আল আমিন,গজারিয়া
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা বিভাগের পরিচালক ডা: ফরিদ হোসেন মিঞার পরিদর্শন কালীন টনক নড়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, কর্মরত ডা: ও বিভিন্ন পদ-পদবীতে থাকা কর্মচারীদের ।
শনিবার সকাল ৯ ঘটিকার সময় কোন রকমের পূর্বাভাস সংবাদ ব্যতীত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিদর্শনে এসেছেন , স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক ডা: ফরিদ হোসেন মিঞা । উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান হঠাৎ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিভাগীয় পরিচালক স্যারের পরিদর্শন হওয়ায় একাধিক ডাক্তার সহ ১৪ জনের অনুপস্থিত পাওয়া গেছে। স্যারের অনুপস্থিতি পাওয়া সকলেই নিজ নিজ কর্মস্থলে উপস্থিত হয়েছেন কিন্তু বায়োমেট্রিক উপস্থিতি সঠিক সময়ে হয় নাই। সঠিক সময়ে কর্মস্থলে হাজির থাকা একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারী সন্তুষ্টি প্রকাশ করে জানান বিভাগীয় পরিচালক স্যারের হঠাৎ করে হাসপাতাল পরিদর্শনে টনক নড়েছে। দায়িত্বে অবহেলা ও বিলম্বে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা কর্মচারী কর্মকর্তাদের । প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক ব্যক্তি জানান বিভাগীয় পরিচালক স্যারের বিচক্ষণতায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রতিটি সেক্টরে ত্রুটিপূর্ণ বিষয়গুলি ধরা পড়েছে। এমনকি ডাক্তারদের বাসভবনের ওয়ালে পরোগাছা জন্মেছে সে বিষয়টিও স্যারের নজরে পড়েছে । উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্মকর্তা ডাক্তার মোবাশেরা বিনতে আলম জানান আমি ছুটিতে থাকায় বিভাগীয় পরিচালক স্যার ভিজিট কালীন সময়ে বাসায় ছিলাম । বিভাগীয় পরিচালক স্যার কয়েক জন কে যথাসময়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে অনুপস্থিত পেয়েছেন । অনুপস্থিত পাওয়া ডাক্তার ও কর্মচারীদের বিষয়ে কি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে । বিভাগীয় পরিচালক স্যার আমাকে পরে অবগত করবেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক ডা: ফরিদ হোসেন মিঞা জানান একাধিক ডাক্তার ও কর্মচারীদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে অনুপস্থিত পাওয়া গেছে । সুনির্দিষ্ট সংখ্যাটি আমার মনে নেই । তাদের বিষয়ে পড়ে জানানো হবে